বিখ্যাত বাস্কেটবল সাংবাদিক সু ছুন ভক্তদের উত্তরে বলেছেন, প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টের পর সব খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দেরই সারসংক্ষেপ লিখতে হয়। শুধু এখন সেলফ মিডিয়া ভিউ পাওয়ার জন্য সেই সারসংক্ষেপকে "আত্মসমালোচনা" বলে প্রচার করছে।

"আবারও সেই কষ্টের গল্প শোনানোর কৌশল? খেলোয়াড়দের আত্মসমালোচনা কাকে দেখানোর জন্য? আমার বিশ্বাস তরুণ খেলোয়াড়রা কষ্ট করতে অনিচ্ছুক নয়, বরং ভুল পথে কষ্ট করার অভিনয় করতে চায় না," সু ছুনের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের মন্তব্য বিভাগে এক নেটিজেন এভাবে লিখেছেন।

এর জবাবে সু ছুন বলেন: "প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টের পর জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সারসংক্ষেপ লিখতে হয়, সব খেলাতেই একই নিয়ম। শুধু সেলফ মিডিয়া একে আত্মসমালোচনা বানিয়ে ভিউ কুড়াচ্ছে, এই যা।"

এর আগে এক সাংবাদিক জানিয়েছিলেন, চীনের পুরুষ বাস্কেটবল দল চতুর্থ স্থান নিয়ে এবারের এশিয়ান গেমস শেষ করার পর "কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছে দলের সবাইকে সারসংক্ষেপ লিখতে হবে, যার মধ্যে আছে কোচিং স্টাফ, খেলোয়াড়, ভিডিও বিশ্লেষক, চিকিৎসা, ফিটনেস ও গবেষণা দল।"
আর চীনের পুরুষ বাস্কেটবল দলের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়াও এশিয়ান গেমসের লড়াই শেষে জানিয়েছিল: "এবারের এশিয়ান গেমস চলাকালে যেসব সমস্যা প্রকাশ পেয়েছে, সেগুলো নিয়ে চীনের পুরুষ বাস্কেটবল দল সর্বাত্মক পর্যালোচনা করবে, সমস্যার মূল কারণ বিশ্লেষণ করবে এবং লক্ষ্যভিত্তিক সমাধান খুঁজে বের করে ভবিষ্যতের ম্যাচগুলোর জন্য প্রস্তুতি নেবে।"
তবে "সারসংক্ষেপ" দিয়ে কি সত্যিই সমস্যা চিহ্নিত করা যায়? অন্তত গত এক বছরে চীনের পুরুষ বাস্কেটবল দলের পারফরম্যান্স দেখলে বলতে হয়, বেশিরভাগ সময়ই কোনো সমস্যা চিহ্নিত করা যায়নি।
একই সঙ্গে সু ছুন আরও বলেন: "প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত, যেকোনো বড় টুর্নামেন্ট শেষে সারসংক্ষেপ লিখতেই হয়। পার্থক্য হলো আগে হাতে লিখতে হতো, এখন এআই দিয়ে এক নিমেষেই হয়ে যায়।"